ডাকসু নির্বাচনের অনিয়মের অভিযোগে বর্জন করেছে ছাত্রলীগ বাদে সকল প্যানেল, ধর্মঘট আহ্বান

43

নানা নাটকীয়তা ও ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ পর্ব। চলছে ভোট গণণা কার্যক্রম। এদিকে কারচুপি ও ভোট জালিয়াতির অভিযোগে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাদে সকল সংগঠন ও জোটের প্রার্থীরা। তারা এ নির্বাচন বাতিল করে পুণরায় তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে। সেই সাথে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থতা ও কারচুপি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার অভিযোগে উপাচার্যসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পদত্যাগ দাবি করেছেন। আর দাবি আদায়ের লক্ষে মঙ্গলবার থেকে ক্লাস বর্জনসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ধর্মঘট কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। তবে দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুবই উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে দাবি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

ডাকসু এবং ১৮ টি হল সংসদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী মোট ভোটার সংখ্যা ৪২ হাজার ৯২৩ জন। সোমবার সকাল ৮ টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা শুরু হয় প্রায় ১ ঘন্টা পরে। একারনে শুরু থেকেই বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেন বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরা। অনিয়মে সহায়তা ও ব্যর্থতার দায়ে অপসারণ করা হয় বাংলাদেশ কুয়েত-মৈত্রী হলের প্রভোস্টকে। এক পর্যায়ে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ বাদে সব প্যানেলের প্রার্থীরা। যারা নির্বাচন বয়কট করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছে জাতীয়তাবাদি ছাত্রদল, স্বাধিকার স্বতন্ত্র পরিষদ, প্রগতিশীল বাম মোর্চা, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ এবং স্বতন্ত্র জোট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here